নিজস্ব সংবাদদাতা,শিলিগুড়ি ১৯ সেপ্টেম্বর:মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সারা জীবন শুধু অভিযোগ করে এসেছেন।
অভিযোগ ছাড়া তিনি কোনদিনও কোন কিছুই করতে পারেননি।
আর এই করতে করতেই তার দল টা শেষ হয়ে গেছে, দলের প্রতিটা চলে গেছে, দলের একাউন্ট চলে গেছে, দলের কার্যালয় টাও চলে গেছে।
শেষমেষ একটা প্রতীক পেয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূলের অন্দরে যে কোন্দল চলছে তা ‘এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়াও কঠিন হবে’।
আজ শিলিগুড়িতে এসে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে। ইতিমধ্যেই দুই টুকরো হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। মমতা শিবির পেয়েছে ফুটবল খেলোয়াড়ের চিহ্ন। ঋতব্রত শিবির পেয়েছে খাম চিহ্ন। তৃণমূল দলের অন্দরের চলমান দ্বন্দ্ব নিয়ে এবার কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন বিজেপি নেতা তথা পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
দিলীপ ঘোষের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে যদি একইভাবে বারবার অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও কোন্দল চলতে থাকে, তাহলে তার প্রভাব আগামী নির্বাচনে ব্যাপকভাবে পড়বে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে যে নির্বাচনের সময় দল প্রার্থী দেওয়া এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নিয়েও সমস্যায় পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওরা যদি বারবার এমনটা করতে থাকে, তাহলে নির্বাচন শেষ হয়ে যাবে। ওরা প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।”
আজ তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।
অপরদিকে মহুয়া মিত্র সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মহুয়া মিত্রের আচরণের জন্যই মানুষ তাকে ডিম ছুঁড়ে মারে এবং তার জন্য ডিম জড়ো করে রাখে।
নন্দীগ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীর অভিযোগ “রাজ্যে ফ্রি এন্ড ফেয়ার নির্বাচন সম্ভব নয়”। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, “কোন্ কংগ্রেস?কোথায় কংগ্রেস? পশ্চিমবঙ্গে তাদের কোন অস্তিত্ব আছে কি? আগে নিজেদের খুঁজে দেখুক। প্রসেনজিৎ রাহার রিপোর্ট আমার বাংলা।
