নিজস্ব সংবাদদাতা শিলিগুড়ি ১৯ সেপ্টেম্বর:ত্রিপুরা সুন্দরী এক্সপ্রেসে তল্লাশি,এনজেপিতে আটক ৪ বাংলাদেশী নাগরিক।অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ,পাঞ্জাব যাওয়ার পথে আরপিএফ ও জিআরপির যৌথ অভিযানে ধৃত ওই চার বাংলাদেশি।
শিলিগুড়ি নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে
ত্রিপুরা সুন্দরী এক্সপ্রেসে তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে আটক করল আরপিএফ। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে ট্রেনে চেপে পাঞ্জাব যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা এমনই অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছতেই আরপিএফ ও এনজেপি জিআরপির যৌথ অভিযানে সাধারণ কামরা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে,গোপন সূত্রে খবর আসে চারজন বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে ট্রেনে করে পাঞ্জাবের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।খবর পাওয়ার পর আরপিএফ পোস্টের ইন্সপেক্টর মুকেশ কুমার রাজাকের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেয়।অভিযানে এনজেপি জিআরপির আধিকারিকরাও যোগ দেন।শুক্রবার রাতে ত্রিপুরা সুন্দরী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের ৬নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢোকার পর সাধারণ কামরায় তল্লাশি শুরু হয়।তল্লাশির সময় সন্দেহের ভিত্তিতে চারজনকে আটক করা হয়।তাঁদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পরিচয় ও ভারতে প্রবেশের বিষয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়ে বলে আরপিএফের দাবি।এরপর চারজনকে আরপিএফ পোস্টে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।পরবর্তী সময়ে তাঁদের এনজেপি জিআরপির হাতে তুলে দেওয়া হয়।ধৃতদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে।আরপিএফ সূত্রে ধৃতদের নাম মোহাম্মদ সালাম ,মোহাম্মদ সুফায়েদ ,মোফিজুর রহমান ও জয়নুব বিবি। তাঁদের দেওয়া ঠিকানা মায়ানমারের বলে সূত্রের দাবি।তাঁদের কাছে থাকা নথিপত্র ও পরিচয় সংক্রান্ত তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক দাবি,ধৃতরা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে বসবাস করছিল ও পরে সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে।এরপর অসম থেকে ট্রেনে চেপে পাঞ্জাব যাওয়ার চেষ্টা করছিল তাঁরা।তবে কীভাবে তাঁরা ভারতে প্রবেশ করল,সীমান্ত পারাপারে তাঁদের কে বা কারা সাহায্য করেছিল ও পাঞ্জাব যাওয়ার উদ্দেশ্যই বা কী ছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।ধৃতদের সঙ্গে কোনও পাচারচক্র বা অন্য কোনও সংগঠিত চক্রের যোগ রয়েছে কি না,সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুরো ঘটনায় এনজেপি জিআরপি তদন্ত চালাচ্ছে।
