নিজস্ব সংবাদদাতা,শিলিগুড়ি ৪ ডিসেম্বর:ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির NIAএর নাম করে শিলিগুড়ি শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল তিনজন। একটি ছোট চার চাকার গাড়ি করে ঘুরছিল ঐ তিন অফিসার। কিন্তু সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ঐ তিনজনই ছিল ভুয়ো।
National Investigation Agencyর নাম করে
তদন্ত করতে গিয়ে এবং এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল ঐ তিন ভুয়ো National Investigation Agencyর অফিসার।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ এবং ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট তাদেরকে শিলিগুড়ির মাটিগাড়া এলাকা থেকে গত ২৩ তারিখ গ্রেপ্তার করে। ধৃত তিনজনের মধ্যে দুজনের বাড়ি বিহারে, একজনের বাড়ি শিলিগুড়ি।। ধৃতদের মধ্যে এশান আহমেদ, রেহান বাবর বিহারের বাসিন্দা মানিক রায় শিলিগুড়ির।
গত ২৩ তারিখ ধৃতদের হেফাজত থেকে উদ্ধার হয় একটি i20 গাড়ি এবং একটি স্কুটি। পাশাপাশি তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার হয়েছিল ছয়টি মোবাইল ফোন, নানান রকম নকল নথি এবং ১৩০০০ টাকা।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানা সেই সময় জানানো হয়েছিল, এই চক্রে আরো কেউ রয়েছে কিনা ধৃতদের আদালতে তুলে হেফাজতে নিয়ে তার তদন্ত চালাবে পুলিশ। ধৃত তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল মাটিগাড়ার মেডিকেল মোড়ের বাসিন্দা রাহুল ঘোষের বাড়িতে অভিযুক্ত এই তিনজন এনআইএ অফিসার পরিচয় দিয়ে অভিযান চালিয়ে এক লক্ষ টাকা আদায় করেছিল।। ওই ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযান চালায় ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট এবং স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ। গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই তিনজনকে। ধৃত ওই তিনজনকে হেফাজতে নিয়ে, শিলিগুড়ির শিব মন্দিরের বাসিন্দা মিথিলেশ কুমার সিং এর নাম পায় ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ এবং মাটিগাড়া থানার পুলিশ। এর পরেই অভিযান। গ্রেপ্তার করা হয় মিথিলেশ কুমার সিং কে। অভিযোগ, গত ২৩ তারিখ ধৃত তিন ভুয়ো এনআইএ অফিসারের দলে মিথিলেশ ও ছিল। ধৃত মিথিলেশ কুমার সিংকে আজ শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। এই চক্রে আরো কেউ রয়েছে কিনা,তা জানতে,গোটা ঘটনার তদন্ত জারি রাখছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ এবং এসওজি।
