Monday, September 21, 2026
HomeBreakingদার্জিলিং মোড়ের রাস্তার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন ট্রাফিক পুলিশের কর্তারা

দার্জিলিং মোড়ের রাস্তার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন ট্রাফিক পুলিশের কর্তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি শিলিগুড়ি ২১ সেপ্টেম্বর:দুর্গাপুজোর আগে যানজট কমাতে নতুন রাস্তা,দার্জিলিং মোড়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখল শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশ।

আসন্ন দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে শিলিগুড়ি শহর ও উত্তরবঙ্গের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করতে মাল্লাগুড়ি, দার্জিলিং মোড় সংযোগকারী নতুন রাস্তা গতকাল বিকেলে অস্থায়ীভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে।পুজোর সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ সামলানো ও দার্জিলিং মোড়ের দীর্ঘদিনের যানজট কমাতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।রাস্তা চালু হওয়ার পর পথের পরিকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে রবিবার রাতে এলাকায় বিশেষ পরিদর্শনে যান শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা।পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিকের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ,ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার সুবীর দত্ত,জংশন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হৃদম সাহা সহ দার্জিলিং মোড় জংশন ইনচার্জ টিটু সাহা-সহ অন্যান্য ট্রাফিক পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা।পুলিশ আধিকারিকেরা পুরো রাস্তাটি হেঁটে ঘুরে দেখেন।রাতের সময় রাস্তার কয়েকটি অংশে পর্যাপ্ত আলোর অভাব রয়েছে বলে পরিদর্শনে উঠে আসে।পাশাপাশি রাস্তার কোথাও পিচ্ছিল অংশ বা সম্ভাব্য দুর্ঘটনাপ্রবণ জায়গা রয়েছে কি না,তাও খতিয়ে দেখা হয়।রাতের বেলায় পথচারী ও যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এছাড়াও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড,দিকনির্দেশিকা সহ ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর বিষয়েও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের (NHAI) সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।প্রস্তাবিত ট্রাফিক ব্যবস্থায় দার্জিলিং মোড়ের নিচ দিয়ে তৈরি প্রথম রাস্তা ব্যবহার করে যানবাহন চলাচল করবে।
রবিবার ই দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তার পরিদর্শনের পর রাস্তা অস্থায়ীভাবে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।দুর্গাপুজোর সময় শিলিগুড়ি ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের যাতায়াতের চাপ বাড়বে।সেই পরিস্থিতিতে নতুন এই রাস্তা ও পরিকল্পিত ট্রাফিক ব্যবস্থার মাধ্যমে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনা সহ সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের যাতায়াত আরও স্বচ্ছন্দ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রসেনজিৎ রাহার রিপোর্ট আমার বাংলা।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments